চবির এক সিন্ডিকেটে ১৫৩ নিয়োগ 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৫৩ জনের নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ সিন্ডিকেটে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে ও আরেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন খানের ভাগনে।

অন্যদিকে ওশানোগ্রাফি বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় মোবাইল ব্যবহার করে উত্তর লেখায় এক প্রার্থীকে আগামী তিন বছরের জন্য নিয়োগ ও পদোন্নতি থেকে নিষিদ্ধ করেছে সিন্ডিকেট।

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় এসব অনুমোদন দেওয়া হয়।

সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইইই, প্রাণিবিদ্যা, এইচআরএমসহ ৯টি বিভাগে মোট ৪৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১০০ জন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং ৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের সুপারিশ অনুমোদন দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান, কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারীসহ বিভিন্ন পদ রয়েছে।

এ ছাড়া এ সিন্ডিকেটে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামিম উদ্দিন খানের মেয়ে মাহিরা শামিম ফিন্যান্স বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। একইভাবে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন খানের ভাগনে সাঈদুল রহমান নিয়োগ পেয়েছেন ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগে। প্রাথমিকভাবে নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সাময়িক স্থগিত থাকলেও ল্যাবরেটরি স্কুলের নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যাপক রেজাউল আজিমের স্ত্রী জান্নাতুন নাঈম এবং শ্যালিকা জান্নাতুন আফরোজকেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ২নং গেট সংঘর্ষের ঘটনায় বিতর্কিত মন্তব্যর কারণে বহিষ্কৃত জামায়াতে ইসলামীর হাটহাজারী উপজেলা আমির সিরাজুল ইসলাম সেকশন অফিসার থেকে সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card

Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card

অন্যদিকে একই সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির ঘটনায় ওশানোগ্রাফি বিভাগের সেকশন অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে উত্তর লেখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এক প্রার্থীকে আগামী তিন বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগ ও পদোন্নতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক শামিম উদ্দিন খান বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি বা অনিয়মের প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এই শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

0%
0%
No Comment Yet