বাতাসে ক্ষতিকর দূষণের মাত্রা বাড়ায় শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বাড়ছে
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ সময়: ১১:০৮:৫০
ঢাকা, ৩ মে, ২০২৬ (বাসস) : বাতাসে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।
আজ রোববার বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগ আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
তারা বলেন, শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। দিন দিন বাড়ছে এই রোগটির ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সী নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে। তবে অ্যাজমা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। আর এর মূল চিকিৎসা ইনহেলার ব্যবহার করা।
রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জিয়াউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) পরিচালক ডা. কাজী সাইফুদ্দীন বেননূর, এভারকেয়ার হসপিটালের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।
সেমিনারে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. এস এম আবদুল্লাহ আল মামুন ও এআইসিইউ ও এইচডিইউ বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাফর ইকবাল।
বিজ্ঞাপন
Anjara World Shop
মূল প্রবন্ধে ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বায়ুদূষণ বিশ্বব্যাপী অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা ও তীব্রতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে। বায়ুতে ক্ষতিকর কণিকা, ধূলা, ধোঁয়া ও রাসায়নিক দূষণের মাত্রা বাড়ার ফলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও কার্যকর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
ডা. সাইফুদ্দীন বেননূর বলেন, প্রতি তিন সেকেন্ডে আমরা সহজেই নিঃশ্বাস গ্রহণ করি এবং শ্বাস ছাড়ি। কিন্তু একজন অ্যাজমা আক্রান্ত রোগী সহজে এটা পারেন না। তাদের জন্য তা ভয়াবহ কষ্টকর পরিস্থিতি।
No Comment Yet