ধর্মমন্ত্রীর উদ্যোগে সৌদি আরবে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরেছেন

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ (বাসস): সৌদি আরবে হামলার ঘটনায় আটকে পড়া বাংলাদেশি ওমরাহ পালনকারীদের শেষ কাফেলার ৪০ সদস্য আজ নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। তাদের অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর নির্দেশনায় পরিচালক (হজ) মো. লোকমান হোসেন ও মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানান।

গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলাজনিত ঘটনায় এসব ওমরাহযাত্রী আটকে পড়েন। আজ দুপুরে তারা জেদ্দা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

ওমরাহযাত্রীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সমন্বয় করা হয়। সৌদি আরবে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

ধর্মমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে সৌদি আরবে অবস্থানরত ওমরাহযাত্রীদের দুই দিনের আপ্যায়ন ও পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার পর তাদের আপ্যায়নের পাশাপাশি নিজ গন্তব্য সিরাজগঞ্জ শহরে পৌঁছে দিতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে যানবাহনের ব্যবস্থাও করা হয়।

কাফেলার নেতৃত্বে থাকা মুয়াল্লিম আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী নিয়মিত তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সার্বক্ষণিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

Anjara World Shop

তিনি বলেন, লাগেজ না পাওয়ায় বিপাকে পড়া যাত্রীদের জন্য ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশনায় খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার পর আপ্যায়ন এবং সিরাজগঞ্জে নিরাপদে পৌঁছানোর জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করায় তাঁরা ধর্মমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ওমরাহযাত্রীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্যও কৃতজ্ঞতা জানান। তারা ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং আল্লাহর মেহমানদের সেবায় তাকে আরও বেশি কাজ করার তৌফিক দেওয়ার জন্য দোয়া করেন।

এদিকে, ওমরাহযাত্রীরা তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস, মক্কা ও মদিনা হজ মিশন, রাজকীয় সৌদি সরকার এবং সৌদি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

0%
0%
No Comment Yet