গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিলো জার্মানি
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬ সময়: ০৩:৪৬:৫১
গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য ও হুমকির প্রেক্ষাপটে কড়া বার্তা দিল জার্মানি। দেশটির অর্থমন্ত্রী ও ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবাইল বলেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা সব দেশের জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য—যুক্তরাষ্ট্রও এর ব্যতিক্রম নয়।
গ্রুপ অব সেভেন (জি৭)ভুক্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ওয়াশিংটনের উদ্দেশে যাত্রার আগে রোববার সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ক্লিংবাইল স্পষ্ট করে জানান, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণেরই রয়েছে। আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা অবশ্যই সম্মান করতে হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘদিনের ন্যাটো মিত্র ডেনমার্কের কাছ থেকে খনিজসমৃদ্ধ আর্কটিক দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিকভাবে দখলের পথে এগোয়, তাহলে জোটের ভেতর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এতে ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও টানাপোড়েনের মুখে পড়বে।
ক্লিংবাইলের ভাষায়, “ন্যাটো মিত্র হিসেবে আমরা আর্কটিক অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারে একসঙ্গে কাজ করি, একে অপরের বিরুদ্ধে নয়।”
এদিকে জি৭ বৈঠকে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিরল মাটি ধাতুসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ খনিজের রপ্তানিতে চীনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ফলে এসব খাতে বেইজিংয়ের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা হবে।
বিজ্ঞাপন
Shwapno Super Shop
জার্মান অর্থমন্ত্রী বলেন, সরবরাহ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, একক দেশের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং বিশ্বাসযোগ্য অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে চায় জার্মানি। এ জন্য অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ ও যৌথ উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, তামা, লিথিয়াম, কোবাল্ট, গ্রাফাইট ও বিরল মাটি ধাতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজের পরিশোধন খাতে বর্তমানে চীনের দখল ৪৭ শতাংশ থেকে শুরু করে কোথাও কোথাও ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত।
No Comment Yet