ইশতেহারে সরকারি চাকরি নিয়ে যে ঘোষণা দিল জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে আবেদন ফি সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারের শ্রম ও কর্মসংস্থান খাতসংক্রান্ত ১৮ নম্বর দফায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এ ইশতেহার তুলে ধরেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ইশতেহারে বলা হয়, সরকারি চাকরির আবেদনে ফি নেওয়ার কারণে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হন। এই বৈষম্য দূর করতে আবেদন ফি বাতিল করা হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামী তাদের ইশতেহারে বেকারত্ব দূর করে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রধান কৌশল হিসেবে উল্লেখ করে দেশের প্রতিটি জেলায় হিউম্যান স্কিল ডেভেলপমেন্ট জোন (এসডিজেড) গঠনের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে।

এছাড়া নতুন শিল্প স্থাপন, অর্থনীতির বৈচিত্র্যকরণ এবং দেশীয় শিল্প বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিং, গিগ ইকোনমি ও অনলাইনভিত্তিক কাজের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টিও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card

Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card

বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে দলটি। পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং অধিকার রক্ষায় শ্রম আইন সংস্কারের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।

ইশতেহারে আরও বলা হয়, শ্রমিক ও ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে শ্রমখাতে স্থিতিশীলতা আনা হবে। কর্মসংস্থান পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে সহায়ক হিসেবে একটি জাতীয় কর্মসংস্থান ডেটাবেস ও ওয়েবভিত্তিক ড্যাশবোর্ড তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জামায়াতে ইসলামীর মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক শ্রমবাজার গড়ে উঠবে।

0%
0%
No Comment Yet