অ্যান্টার্কটিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও খোঁজ মিলল প্লাস্টিকের

শহর বা গ্রামের পাশাপাশি পৃথিবীর সব প্রান্তেই ছড়িয়ে পড়েছে প্লাস্টিক। নানা ধরনের চেষ্টা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না প্লাস্টিকের উপস্থিতি। সম্প্রতি অ্যান্টার্কটিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকের সন্ধান পেয়েছেন ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের (বিএএস) বিজ্ঞানীরা। তাঁদের দাবি, অ্যান্টার্কটিকার গভীরে বরফের মধ্যে প্রথমবারের মতো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব মাইক্রোপ্লাস্টিক স্থানীয় কোনো উৎস থেকে এ

হিমায়িত এলাকায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রভাব বিজ্ঞানীদের কাছে এখনো অস্পষ্ট। এ বিষয়ে বিজ্ঞানী কার্স্টি জোনস-উইলিয়ামস বলেন, ‘অ্যান্টার্কটিকায় প্রবেশের জন্য কঠোর নিয়মকানুন মানতে হয়। তারপরেও দূরবর্তী ও অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের প্রমাণ পেয়েছি আমরা। প্লাস্টিকের উপস্থিতি প্রমাণ করছে পৃথিবীর সব জায়গায় এখন প্লাস্টিকের উপস্থিতি রয়েছে।’

আরও পড়ুন

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের বিজ্ঞানীরা গবেষণার জন্য অ্যান্টার্কটিকার ইউনিয়ন হিমবাহ ও শানজ হিমবাহ এলাকা থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করেন। এরপর ফিল্টার পেপারের মাধ্যমে নমুনাগুলো গলিয়ে স্ক্যান করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি লিটার তুষারে ৭৩ থেকে ৩০৯৯টি প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা রয়েছে। এসব কণার অধিকাংশ ৫০ মাইক্রোমিটারের চেয়ে ছোট। এ বিষয়ে বিজ্ঞানী এমিলি রোল্যান্ডস বলেন, নতুন কৌশলের সাহায্যে আমরা এখন আগের তুলনায় অনেক ছোট আকারের মাইক্রোপ্লাস্টিক বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়েছি।

বিজ্ঞাপন

Shwapno Super Shop

আরও পড়ুন

বিজ্ঞানী ক্ল্যারা মান্নো জানিয়েছেন, মানুষের পোশাকের পাশাপাশি ক্যাম্পের মধ্যে ও আশপাশে নিরাপদে পথ চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত দড়ি ও পতাকা থেকেও আসতে পারে প্লাস্টিকগুলো। অ্যান্টার্কটিকার মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের উৎস সম্পূর্ণরূপে বোঝার জন্য আরও গবেষণা করতে হবে। এই প্লাস্টিক দূষণ কমানোর কৌশলও খুঁজে বের করতে হবে।

0%
0%
No Comment Yet