জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে নতুন ইউনিটের ৪০ শয্যা আইসিইউ উদ্বোধন
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সময়: ০৯:২২:৩৯
বক্ষব্যাধি ও জটিল শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত সংকটাপন্ন রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে ‘রেসপিরেটরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও ইন্টারকনভেনশনাল পালমোলজি সেন্টার’ নামের নতুন একটি ইউনিটে ৪০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর,২৬) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন এই ৪০ শয্যার আইসিইউ ইউনিটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার বিদ্যুৎ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এফ এম সিদ্দিকী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশীদ ও ড্যাব’র মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালটি ২০০৫ সালে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধন করেছিলেন। দীর্ঘ ২১ বছর পর এখানে আইসিইউ সেবা সম্প্রসারণ করা হলো। নতুন আইসিইউতে ৪০টি শয্যা যুক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, সেসব হাসপাতালে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।
এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন করা এবং প্রতিটি নাগরিকের কাছে উন্নত চিকিৎসা পৌঁছে দেয়া। একই সঙ্গে গরিব মানুষ যাতে সহজে কম করেছে উন্নত চিকিৎসা সেবা পায়। তারই ফলশ্রুতিতে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের পরিত্যক্ত জায়গাকে ব্যবহার উপযোগী করে নতুন একটি ইউনিট এবং অথ্যাধুনিক ৪০ শয্যার আইসিইউ চালু করা হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিকে এসব শয্যায় দরিদ্র রোগীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেয়া হবে। এছাড়া এটি চালু হওয়ায় বক্ষব্যাধি ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিল রোগীদের চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে মনে করছি।
বিজ্ঞাপন
Anjara World Shop
No Comment Yet