স্বাস্থ্যসেবায় ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করতে চায় সরকার : জিয়াউদ্দিন হায়দার
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ সময়: ০৮:৫৬:০০
বরিশাল, ১২ মে, ২০২৬ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করতে কাজ করছে সরকার। যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ একই সময়ে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও ওজন পরিমাপ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, সেই লক্ষ্য অর্জনে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করতে আগামী জুন-জুলাইয়ের মধ্যে ‘হেলথ কার্ড’ চালু করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এই কার্ড ব্যবহারকারীরা সহজেই সুলভ মূল্যে হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবে।
বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) উদ্যোগে হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার আজ মঙ্গলবার এ কথা বলেন।
দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, সরকারি উদ্যোগে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো চালু থাকলেও সেগুলোর কার্যকারিতা বাড়ানো দরকার। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, ওষুধ ও আধুনিক প্রযুক্তি নিশ্চিত করা গেলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজেই স্বাস্থ্যসেবা পাবে।
এ সময় তিনি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সহজ করতে গ্রাম অঞ্চলে ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার’ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
Anjara World Shop
নার্সিং এডুকেশনের উপর গুরুত্বারোপ করে জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আমরা এখনো নার্সিং পেশাকে সম্মানজনক স্থানে নিতে পারিনি। এই পেশাকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও নার্সদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, যেন তাদেরকে বিদেশে পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়।
দেশের বর্তমান মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক পুরোনো। দেশে বিরাজমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ডাক্তার, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে বাধ্য হয়ে মুখস্থ নির্ভর পড়াশোনা করতে হয়। কেননা এই কারিকুলাম অনেকাংশেই মুখস্থ বিদ্যাকে উৎসাহিত করে। এই পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বাস্থ্য সেবায় ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্যকর্মী, মেডিকেল টেকনিশিয়ান, ডাক্তার ও নার্স ২৪ ঘণ্টা রোগীদের জরুরি সেবা প্রদান করবে।
No Comment Yet