অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ‘পর্যটন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ সময়: ১৩:৪২:১২
ঢাকা, ২৩ মে, ২০২৬ (বাসস) : দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও মান নিয়ন্ত্রণে গতি আনতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে উচ্চপর্যায়ের ‘পর্যটন সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করেছে সরকার।
আজ শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারিকৃত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে, গত ২১ মে এ প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৭ সদস্যের এই কমিটিতে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থমন্ত্রী।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; পররাষ্ট্রমন্ত্রী; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী; সংস্কৃতিমন্ত্রী; ভূমিমন্ত্রী; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী; বাণিজ্যমন্ত্রী; গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী; পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী; রেলপথমন্ত্রী; নৌপরিবহন মন্ত্রী; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার এই কমিটিকে সাচিবিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব (সিনিয়র সচিবসহ) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ভূমি, স্বরাষ্ট্র, অর্থ বিভাগ, রেলপথ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, পররাষ্ট্র, সংস্কৃতি, পরিকল্পনা, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক, পার্বত্য চট্টগ্রাম, স্থানীয় সরকার, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, নৌপরিবহন, পরিবেশ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবরা কমিটিকে তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে কমিটির ৩টি মূল কাজের ক্ষেত্র বা কর্মপরিধি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—
বিজ্ঞাপন
Anjara World Shop
এক, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সার্বিক উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সরকারকে সুনির্দিষ্ট নীতিগত পরামর্শ প্রদান।
দুই, দেশের পর্যটন খাতের লুকায়িত সম্ভাবনা, নতুন সুযোগ, বিদ্যমান সমস্যা এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জসমূহ নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে তা সমাধানের পথ বাতলানো।
তিন, পর্যটন খাতের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি এবং সরকারি-বেসরকারি (পিপিপি) বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রসমূহ সুনির্দিষ্ট করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর কর্মপন্থা ও কৌশল নির্ধারণ।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, এই কমিটি কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনে যেকোনো নতুন সদস্যকে ‘কো-অপ্ট’ (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। কমিটির সাচিবিক সহায়তার দায়িত্বে থাকবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
No Comment Yet