‘ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে’
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ সময়: ১৪:০৭:৪৭
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল ব্রাজিল যেন দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের হারানো পরিচয় খুঁজে ফিরছে। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর আর শিরোপার স্বাদ পায়নি সেলেসাওরা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই আক্ষেপ ঘুচল না। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন আশার আলো জ্বললেও শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে ব্রাজিলকে।
ফলাফলের পাশাপাশি মাঠের পারফরম্যান্সও হতাশ করেছে সমর্থকদের। আক্রমণে ধার, সৃজনশীলতা ও গতির ঘাটতির পাশাপাশি অনুপস্থিত ছিল ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী সাম্বা ফুটবলের সেই চেনা সৌন্দর্য, যা একসময় দলটির সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল।
১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ইউরি জোরকায়েফ বর্তমান ব্রাজিল জাতীয় দলের খেলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা দাবি করেছেন, ব্রাজিলের খেলা দেখলে তার ‘বমি আসে’।
আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্রাজিলের কথা বলতে গেলে, ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচ দেখেছেন? ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে।
তার মতে, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কারিগরি মান অনেকটাই হারিয়ে গেছে। বর্তমান দলে পর্যাপ্ত টেকনিক্যালি দক্ষ খেলোয়াড় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জোরকায়েফ বলেন, আছে শুধু ৩৫ বছর বয়সি নেইমার, যিনি অনেকদিন খেলেননি, তবুও মাঠে নেমে কিছু একটা তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাকিরা কোথায়? সেই টেকনিক্যালি দক্ষ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা কোথায়?
তিনি পাকেতার মতো খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করেন এবং আধুনিক স্ট্রাইকারদের উদাহরণ টেনে হালান্ড ও এন্ড্রিকের তুলনা করেন।
বিজ্ঞাপন
Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card
জোরকায়েফের ভাষায়, মান বলতে আমি প্রথম টাচ ও বল নিয়ন্ত্রণ বুঝি। নরওয়ের দ্বিতীয় গোলে হালান্ড যেভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করল, সঠিক সময় নিল, জায়গা তৈরি করল, তারপর সহজভাবে শট নিল- এটাই মান।
তিনি আরও বলেন, এন্ড্রিক গোলরক্ষকের সামনে পুরোপুরি ফাঁকা ছিল। যদি বলটা রোনালদো কাছে থাকত, তিনি গোলরক্ষককে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠাতেন।
জোরকায়েফ ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি তিনি ২০০০ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছিলেন।
No Comment Yet