রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া মন্তব্য ছড়িয়ে অপপ্রচার  শনাক্ত : বাংলাফ্যাক্ট

ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর নামে ভুয়া মন্তব্য ছড়িয়ে অপপ্রচার  শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, রুহুল কবির রিজভীর নামে ‘প্রধানমন্ত্রীর ১০০ টাকার লাঞ্চ’ ও ‘তেলের দাম বৃদ্ধি’ নিয়ে প্রচারিত মন্তব্যটি ভুয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে  রুহুল কবির রিজভীর নামে একটি বক্তব্য সংবলিত ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডটিতে তাঁর বরাতে লেখা রয়েছে, ‘তেলের দাম মাত্র ২০ টাকা বাড়ছে তাতেই এত হইচই অথচ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাত্র ১০০ টাকায় লাঞ্চ করেন সেটা নিয়ে কোনো হইচই নাই।’

বাংলাফ্যাক্ট-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবিটি সম্পূর্ণ অসত্য ও বানোয়াট। রুহুল কবির রিজভী এমন কোনো মন্তব্য করেননি।

রুহুল কবির রিজভীর দপ্তর থেকে বাংলাফ্যাক্টকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, তিনি তেলের দাম বৃদ্ধি কিংবা প্রধানমন্ত্রীর লাঞ্চের খরচ নিয়ে এমন কোনো কথা বলেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির এই নেতার ছবি ব্যবহার করে কোনো প্রকার তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই এই কাল্পনিক উক্তিটি প্রচার করা হচ্ছে।

এছাড়া, গণমাধ্যম কিংবা বিএনপির অফিশিয়াল সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও রিজভীর এ ধরনের কোনো বক্তব্যের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, আলোচিত দাবিটি মিথ্যা।

বিজ্ঞাপন

Anjara World Shop

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকাল সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা সনাক্ত করা হচ্ছে। 

‘বাংলাফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। 

0%
0%
No Comment Yet