ভোটের মাঠে আওয়ামী অস্ত্র চ্যালেঞ্জে প্রশাসন
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ সময়: ১১:০০:৫৯
আর মাত্র ৩০ দিন পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। একই সঙ্গে হবে গণভোটও। কাটছে না নিরাপত্তা শঙ্কা। দুই হাজার ছাত্র-জনতাকে খুন এবং প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করার দায় নিয়ে ভারতে পালিয়ে থাকা মৃত্যুদ-প্রাপ্ত হাসিনাবিহীন এই নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসাবে দেখলেও রয়েছে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ। ভোটের মাঠে আওয়ামী শাসনামলের লক্ষাধিক ভারি অস্ত্র দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে প্রশাসনে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর নির্মম গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে থাকা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে এখনো লক্ষাধিক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে হুমকি দিচ্ছেন। তাদের কাছে এই অবৈধ অস্ত্র কিভাবে এলো, কারা তার জোগান দিয়েছে সূক্ষভাবে খোঁজ নিচ্ছে প্রশাসন। ভোটের মাঠে দিনদুপুরে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার পর চাপ তৈরি হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারে। আওয়ামী অস্ত্র শুধু প্রার্থীদের ঝুঁকি নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষা এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহারেও চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, আ’লীগ নেতাকর্মীদের কাছে এখনো একে-৪৭, এম-১৬-এর মতো আধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেল রয়েছে।
এ ছাড়া ওয়ালথার পিপি-জাতীয় ইউরোপীয় প্রযুক্তির আধুনিক পিস্তলও আছে তাদের কাছে। যা জুলাই আন্দোলনে ব্যবহার করে শত শত নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে খুন করে আওয়ামী নেতাকর্মীরা। এছাড়া থানা থেকে লুট হওয়া কয়েক হাজার অস্ত্রের মধ্যে বেশিরভাগ উদ্ধার হলেও অল্পকিছু বাকি রয়েছে উদ্ধারের। সেগুলো অল্প সময়ে প্রশাসনের হাতে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার ওপর ব্যহৃত অস্ত্রগুলোর ছবি ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও সিংহভাগ উদ্ধার দেড় বছরেও সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, প্রতিটি ক্যাম্পাসে-ওয়ার্ডে রয়েছে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের অবৈধ অস্ত্র। ৩৬ জুলাইয়ে যেখানেই শিক্ষার্থীরা ন্যায্য দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছে, সেখানেই ছাত্রলীগ-যুবলীগ অবৈধ অস্ত্র উঁচিয়ে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে। তাদের গুলিতে নারী শিক্ষার্থীসহ শত শত ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছেন। হাসিনা বাহিনীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এখনো হাজার হাজার ছাত্র-জনতা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। স্বৈরাচারের পতনের পর নতুন উপদেষ্টার সরকার গঠনের দেড় বছর পার হতে চললেও এখনো চিহ্নিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার এবং তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
এ নিয়ে অসন্তোষ সর্ব মহলে। ভোটের প্রচারণাকালে ওসমান হাদি দিনদুপুরে খুন হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই খুনিদের ছবি ভিডিও এবং পরিচয় প্রকাশ পেলেও খুনিদের আটক করা যায়নি। কিভাবে সীমান্ত দিয়ে পালাল এ নিয়ে সর্বমহলে প্রশ্ন। ভোটের মাঠে এত অবৈধ অস্ত্র রেখে কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট মহল থেকে দাবি তোলা হচ্ছে।
রাজনীতিতে চোখ রাখা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ দুঃশাসন চালিয়েছেন। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ আওয়ামী লীগের পদধারী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের হাতে অবৈধ অস্ত্র তুলে দিয়েছে। ৫ আগস্ট স্বৈরাচার হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও বাকি সব নেতাই দেশে আত্মগোপনে রয়েছেন। যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো একে একে ফেরত পাওয়া গেলেও গত ৩৬ জুলাই এবং আওয়ামী যুগে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে যেসব ব্যক্তি সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে, গণমাধ্যমে যেগুলোর চিত্র প্রকাশ হয়েছে, সেগুলো এখনো উদ্ধার হচ্ছে না। গুলি করা ব্যক্তিরাও আটক হচ্ছে না। থেকে যাচ্ছে এক অজানা রহস্য।
আওয়ামী যুগের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চিহ্নিত ব্যক্তিদের আটক করা না গেলে যে কোনো সময় ছাত্র-জনতার বিজয় অম্লান হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কথা হয় জুলাইর আন্দোলনে থাকা ফেনীর রাহাত ভূঁইয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, গত ৪ আগস্ট দুপুর ১টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ফেনীর মহিপালে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ। ঘটনাস্থলেই তাদের গুলিতে ৯ জন মারা যান। পরে আরও দুজন নিহত হন। মোট ১১ জন ওইদিনের ঘটনায় শহীদ হন। এছাড়া শতাধিক মানুষ আহত হন বলেও রাহাতের দাবি। তিনি বলেন, ওইদিন ছাত্রলীগ-যুবলীগের অস্ত্রধারীদের গুলি জঙ্গিদেরও হার মানিয়েছে। একটুও ভুলতে পারছি না সেদিনের ঘটনা। রক্তাক্ত কত মানুষকে যে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি, তার হিসাব মেলাতে পারছি না। ফেনীর সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী অস্ত্র
ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিনি ফেনীর প্রতিটি ওয়ার্ডে নেতাদের হাতে অস্ত্র তুলে দেন বলেও এই যুবকের দাবি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেদিন প্রকাশ্যে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালান ফেনী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ছনুয়া ইউপি চেয়ারম্যান করিম উল্যাহ, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফেনী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর লুৎফুর রহমান খোকন হাজারী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি জিয়াউদ্দিন বাবলু, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা সম্পাদক ইমতিয়াজ ইমন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্র শীলের দেহরক্ষী তানজীর। চিহ্নিত ব্যক্তিদের এখনো আটক করা যায়নি। এছাড়া আরও অনেকে হেলমেট পরিহিত থাকায় তাদের চিহ্নিত করতেও ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসন।
এছাড়া লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা, নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমানের অনুসারী, ঢাকার চাঁনখারপুলে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের অনুসারীরা একে-৪৭ ও এম-১৬ রাইফেল দিয়েও আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে। এমন সচিত্র সংবাদ ওই সময় দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসে। সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাতিজা ও ঢাকা উত্তর সিটির ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ ৪ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় শিক্ষার্থীদের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে গুলি ছোড়ে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ঢাকার সাভার, নরসিংদীসহ সবখানেই ছিল এমন দৃশ্যপট।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই সব অস্ত্র উদ্ধার পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষার চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিগত সরকারের পুরোটা সময় নানান কর্মকা-ে সমালোচিত হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। বিরোধীমত দমনে পুলিশকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার, নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আক্রমণাত্মক ভূমিকা, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে জনমনে পুলিশের প্রতি চরম অসন্তোষ ও অনাস্থার সৃষ্টি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত সেই ইমেজ থেকে বের হয়ে আস্থার জায়গায় ফিরতে চাওয়া পুলিশের জন্য এখন আওয়ামী যুগের অস্ত্রই বড় চ্যালেঞ্জ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুলিশের ভারমূর্তি পুনরুদ্ধারে শুধু নির্বাচনই একমাত্র পথ নয়, আওয়ামী অস্ত্র থেকে দেশের জনগণ, রাজনীতিবিদদের রক্ষাও বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, ২০১৮ সালের কলঙ্কজনক নির্বাচনের পর পুলিশের যে বদনাম হয়েছিল, সামনের নির্বাচনে সেই বদনাম ঘোচানোর একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনটি দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে। এছাড়া গত ৩ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পুলিশের বর্তমান প্রধান অগ্রাধিকার। জানুয়ারি মাসের ২১ বা ২২ তারিখ থেকে নির্বাচনী প্রচার শুরু হতে পারে। তখনই মূল জটিলতা তৈরির সম্ভাবনা থাকে। আমরা নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে চাই এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেছেন, অস্ত্র উদ্ধার একটা চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিদিন অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। নির্বাচনের আগেই লুটে নেওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকা দিয়ে কোনো ধরনের অস্ত্র ঢুকতে দেওয়া হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, নির্বাচনে পেশি শক্তির ব্যবহারের একটা বড় অংশ হলো অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার। তারপর নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘাত সহিংসতা সৃষ্টি। প্রচার শুরু হলেই এসব সংঘাত-সহিংসতা সৃষ্টি হবে। এছাড়া টার্গেট কিলিংয়ের প্রসঙ্গগুলো আছে। যে কোনো উপায়ে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মনোভাব অনেক প্রার্থীর মধ্যে অতীতেও ছিল, বর্তমানেও আছে। চলমান রাজনীতির যে সমীকরণ এই সমীকরণও অনেক প্রার্থী ও ভোটারের মধ্যে উত্তাপ ছড়াবে। এ প্রসঙ্গগুলো কঠোরভাবে কোনো ধরনের বিবেচনাকে গণ্য না করে প্রয়োগ করতে পারলে তাদের যে নতুন সক্ষমতার বিকাশ ঘটেছে, তা দৃশ্যমান হবে।
বিজ্ঞাপন
Anjara World Shop
আমরা এটাও লক্ষ্য করেছি, পুলিশ কোথাও কোনো ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশ নিজেই একটা ব্যবস্থার মধ্যে পড়ে যায়। এটা অপরাধীদের আরও সক্রিয় করে। পুলিশকে স্বাধীনভাবে আইন প্রয়োগের সুযোগ দিতে হবে। পুলিশকে স্বাধীনতা দিলাম কিন্তু পেছন থেকে লাগাম টেনে ধরলাম- এমন করলে পুলিশ সফল হবে না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন জনকণ্ঠকে বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলন চলাকালে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডাররা অবৈধ অস্ত্র উঁচিয়ে প্রকাশ্যে ছাত্র-জনতার ওপর বর্বরভাবে গুলি চালিয়েছে, যা সারাদেশের মানুষ দেখেছে। তাদের গুলিতে আমাদের শত শত শিক্ষার্থী নিহত, হাজার হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। ঢাকাসহ সারাদেশে যেখানেই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নেমেছে, সেখানেই তারা গুলি চালিয়েছে। এছাড়া আমার ভাই ওসমান হাদিকে দিনদুপুরে গুলি করে ভোটের মাঠে হত্যা করা হয়েছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের অবৈধ অস্ত্র দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য এখন বড় হুমকি।
আমরা বর্তমান সরকারকে অবগত করছি যে, ঢাকাসহ সারাদেশে এমন একটি জায়গাও নেই যেখানে ছাত্রলীগ গুলি চালায়নি। দেশের সবস্থানে হিংস্র কায়দায় তারা গুলি চালিয়েছিল। প্রতিটি ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডারদের চিহ্নিত করে জাতীয় নির্বাচনের আগেই গ্রেপ্তার এবং ছাত্র আন্দোলনে প্রদর্শন করা সব অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। এটি যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনও হুমকির মধ্যে থাকবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক ও জুলাই ঐক্যের সংগঠক এবি জুবায়ের জনকণ্ঠকে বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়ানো অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছর সময় পার করে নির্বাচনী সময় পার করছে। সারাদেশে জুলাই আন্দোলনে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ আওয়ামী জঙ্গিদের ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় আমার ভাই ওসমান হাদিকে সেই আওয়ামী অস্ত্রের গুলিতেই শহীদ হতে হয়েছে। এই ব্যর্থতা সরকারের।
No Comment Yet