ধূমপান নিয়ন্ত্রণে সংশোধিত অধ্যাদেশ দ্রুত কার্যকরের আহ্বান

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে জারি করা সংশোধিত অধ্যাদেশ দ্রুত ও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন দপ্তর ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তারা মনে করেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে যে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, তা আরও কার্যকর করতে আইন প্রয়োগের কোনো শৈথিল্য রাখা যাবে না।


মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বিএনএমএ ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, সরকারের নানামুখী উদ্যোগ ও বাজেট বরাদ্দের ফলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। সম্প্রতি জারি করা ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।


ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এবং সংস্থাটির হেড অব প্রোগ্রাম সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


সভায় বক্তারা বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে ‘জেলা ভিত্তিক রিপোর্ট কার্ড’ একটি কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে। এর মাধ্যমে আইন বাস্তবায়নের দুর্বলতা চিহ্নিত করা, তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে সহায়ক তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন
Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card

Dutch-Bangla bank New account opening free visa debit card


এ সময় জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন কার্যালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি তামাক পণ্যের লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চালু, নির্ধারিত খুচরা মূল্য অনুযায়ী বিক্রি নিশ্চিত করা এবং আইন ভঙ্গকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।


বক্তারা আরও বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বেসরকারি সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ বাড়াতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। এতে মাঠপর্যায়ে সচেতনতা ও নজরদারি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

0%
0%
No Comment Yet