মির্জা ফখরুলকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন তারেক রহমান
প্রতিবেদক: অনলাইন ডেস্ক
সময়: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ সময়: ০০:০৫:০৪
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। বিমান থেকে নেমে তাকে স্বাগত জানাতে আসা দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বুকে জড়িয়ে ধরেন তারেক রহমান; যেটি দলের মহাসচিব হিসেবে দেশে থেকে সব আন্দোলন সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন। এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারেক রহমানের পেছনে মেয়ে ব্যারিস্টার জোবাইদার রহমান এ সময় তারেক রহমানের পেছনেই ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে একে একে তারেক রহমান মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর রায়, রিজভী আহমেদসহ সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলিঙ্গন করেন।
২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছেন ৬০ বছর বয়সি তারেক রহমান। ২০০৯ সালে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। ২০১৮ সালে তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়। তখন থেকেই তিনি বিদেশ থেকে দল পরিচালনা করছেন, ভার্চুয়ালি সভা ও সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। লন্ডন থেকে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি গণমানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
বিজ্ঞাপন
DBBL Deposit Plus Scheme (DPS) ; Interest Rate 2025
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ গ্রেফতার করা হয় তারেক রহমানকে। ১৮ মাস কারাগারে থাকার সময় অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পান তারেক রহমান। এক সপ্তাহ পরে, ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে পরিবারের সদস্যদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা ছেড়েছিলেন তিনি।
প্রবাসে থাকা অবস্থাতেই ২০১৫ সালে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে হারিয়েছেন। তার জানাজায়ও শরিক হওয়ার সুযোগ পাননি। মায়ের সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত ছিলেন দীর্ঘদিন।
No Comment Yet